গাইড
বয়স অনুযায়ী খেলনা বাছাই: বিকাশের সাথে মিলিয়ে ০-১২ বছরের গাইড
কোন বয়সে কোন খেলনা কাজে লাগে, কোনটা শুধু শোকেসে পড়ে থাকে? জন্ম থেকে ১২ বছর পর্যন্ত বিকাশের ধাপ মিলিয়ে খেলনা বাছাইয়ের সহজ গাইড।
ঈদের পরে বা জন্মদিনের পরে অনেক বাসায় একই দৃশ্য দেখা যায়। আত্মীয়রা ভালোবেসে বড় বড় ব্যাটারির গাড়ি, আলো-জ্বলা গানের খেলনা দিয়ে গেছেন। এক বছরের বাচ্চা দুই দিন সেগুলো দেখল, তারপর রান্নাঘর থেকে হাঁড়ির ঢাকনা আর চামচ নিয়ে বসে পড়ল। আর পাঁচ বছরের বড় ভাই এমন একটা পাজল পেয়েছে যেটা তার বয়সের জন্য এত কঠিন যে দশ মিনিটেই রাগ করে ফেলে রেখেছে।
সমস্যাটা খেলনার দাম বা সংখ্যায় না, সমস্যা হলো খেলনাটা শিশুর বয়স আর বিকাশের ধাপের সঙ্গে মিলছে কি না। বয়স অনুযায়ী খেলনা বাছতে পারলে কম খেলনাতেই বাচ্চা বেশি সময় মন দিয়ে খেলে, আর খেলতে খেলতেই নতুন কিছু শেখে।
এই গাইডে জন্ম থেকে ১২ বছর পর্যন্ত প্রতিটি বয়সে শিশু সাধারণত কী করতে পারে, কোন ধরনের খেলনা তখন কাজে লাগে, আর কেনার আগে কোন কয়েকটা প্রশ্ন নিজেকে করবেন, সেটা গুছিয়ে বলা হলো।
বয়স অনুযায়ী খেলনা কেন এত জরুরি
আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স (AAP) ২০১৯ সালে খেলনা বাছাই নিয়ে একটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে মূল কথা খুব সহজ: সবচেয়ে ভালো খেলনা সেটাই, যেটা শিশুর এখনকার দক্ষতার সঙ্গে মেলে এবং একই সঙ্গে নতুন দক্ষতা গড়তে একটু ধাক্কা দেয়। খুব সহজ খেলনায় বাচ্চা বিরক্ত হয়, খুব কঠিন খেলনায় হতাশ হয়।
AAP-এর আরেকটা রিপোর্ট "The Power of Play" বলছে, বড়দের সঙ্গে আর সমবয়সীদের সঙ্গে বয়স-উপযোগী খেলা শিশুর সামাজিক-আবেগীয়, চিন্তা, ভাষা আর নিজেকে সামলানোর দক্ষতা গড়ে তোলে। এই খেলার ভেতর দিয়েই মা-বাবা ও অন্য যত্নকারীদের সঙ্গে নিরাপদ, ভরসার সম্পর্ক তৈরি হয়।
তাই খেলনা আসলে একটা উপলক্ষ। AAP-এর খেলনা রিপোর্টের একটা বড় বার্তা হলো, বিশেষ করে ছোট বয়সে খেলনার আসল কাজ বড়দের সঙ্গে উষ্ণ, আনন্দের সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি করা। যে খেলনা আপনি আর আপনার বাচ্চা একসঙ্গে খেলতে পারেন, সেটা প্রায়ই সবচেয়ে বেশি কাজের।
খেলনা কেনার আগে নিজেকে এই ৬টি প্রশ্ন করুন
দোকানে বা অনলাইনে খেলনা দেখে মন গলে যাওয়া খুব স্বাভাবিক। কেনার আগে এক মিনিট থেমে এই চেকলিস্টটা মিলিয়ে নিন:
- আমার বাচ্চা এখন কী পারে? যেমন সে কি বসতে পারে, হাঁটতে পারে, কাগজে দাগ টানে, নাকি গল্প বানিয়ে খেলে? খেলনা যেন এর ঠিক এক ধাপ ওপরে থাকে।
- খেলনাটা কি বাচ্চা নিজে চালায়, নাকি খেলনা বাচ্চাকে চালায়? যে খেলনায় বোতাম টিপলেই সব হয়ে যায়, সেখানে বাচ্চার করার কিছু থাকে না। ব্লক, পাজল, পুতুল, রং-পেনসিলে বাচ্চাকেই ভাবতে হয়।
- এটা কি নানা ভাবে খেলা যায়? একসেট কাঠের ব্লক দিয়ে আজ টাওয়ার, কাল রাস্তা, পরশু চিড়িয়াখানার খাঁচা হয়।
- আমরা কি একসঙ্গে খেলতে পারব? AAP এমন খেলনা বাছতে বলে যেটা মা-বাবা ও শিশু মিলে খেলা যায়।
- প্যাকেটে বয়সের লেবেল কী বলছে? ৩ বছরের নিচের বাচ্চার জন্য ছোট টুকরো আছে কি না দেখুন।
- ঘরে এর জায়গা আছে তো? ঢাকার ছোট ফ্ল্যাটে বিশাল খেলনা অনেক সময় খাটের নিচেই পড়ে থাকে।
০ থেকে ১২ বছর: বয়স অনুযায়ী খেলনার তালিকা
নিচের ভাগগুলো মোটামুটি ধারণা দেওয়ার জন্য। প্রতিটি শিশু নিজের গতিতে বড় হয়, তাই বয়সের চেয়ে আপনার বাচ্চা এখন কী করছে সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
০-১২ মাস: দেখা, ছোঁয়া, শোনা
এই বয়সে সবচেয়ে বড় খেলনা আসলে আপনি নিজে। HealthyChildren.org (AAP-এর অভিভাবকদের ওয়েবসাইট) বলছে, প্রথম ছয় মাসে বাচ্চার হাসির জবাবে হাসা, তার "আ-উ" শব্দ নকল করে কথোপকথনের মতো চালানো খুব কাজের খেলা। ৭ থেকে ১২ মাসে লুকোচুরি (পিক-আ-বু) খেললে বাচ্চা বুঝতে শেখে যে চোখের আড়াল হলেও জিনিস হারিয়ে যায় না।
যা কাজে লাগে:
- নরম কাপড়ের বা মোটা পাতার ছবির বই
- হাতে ধরার মতো ঝুনঝুনি, যেটা ধোয়া যায়
- বিভিন্ন টেক্সচারের নরম বল
- মেঝেতে খেলার জন্য একটা পরিষ্কার মাদুর বা কাঁথা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বলছে, এক বছরের কম বয়সী শিশুকে জেগে থাকা অবস্থায় দিনে কয়েকবার মিলিয়ে অন্তত ৩০ মিনিট উপুড় করে (টামি টাইম) রাখা উচিত। তাই দামি খেলনার চেয়ে মেঝেতে একটু নিরাপদ জায়গা অনেক বেশি দরকারি।
১-৩ বছর: হাঁটা, ধরা, নকল করা
এই বয়সে বাচ্চা হাঁটতে শেখে, সব কিছু খুলে-ভরে দেখে, আর বড়দের কাজ নকল করে। মার্কিন রোগ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা CDC-র মাইলফলক তালিকা অনুযায়ী ১৮ মাসের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু কাগজে আঁকিবুঁকি করে, আর ২ বছরের মধ্যে বল লাথি দেয় এবং একসঙ্গে একাধিক খেলনা নিয়ে খেলে, যেমন খেলনা খাবার খেলনা প্লেটে রাখে।
HealthyChildren.org এই বয়সে ব্লক, খালি কৌটা, কাঠের চামচ, শেপ সর্টার আর পাজলের মতো সহজ জিনিস দিতে বলে, আর মনে করিয়ে দেয় যে দামি ইলেকট্রনিক গ্যাজেট নয়, মা-বাবার উপস্থিতি আর মনোযোগই বাচ্চাকে সবচেয়ে বেশি দেয়।
যা কাজে লাগে:
- বড় সাইজের কাঠের বা প্লাস্টিকের ব্লক, স্ট্যাকিং কাপ
- নব (knob) লাগানো ৩-৫ টুকরোর কাঠের পাজল
- ঠেলা বা টেনে নেওয়ার খেলনা, বিভিন্ন সাইজের বল
- মোটা ক্রেয়ন আর বড় কাগজ
- খেলনা হাঁড়ি-পাতিল, পুতুল
এই বয়সের খেলা নিয়ে বিস্তারিত আইডিয়া পাবেন ১ থেকে ৩ বছরের বাচ্চার খেলা ও খেলনা লেখায়।
৩-৬ বছর: কল্পনা, প্রশ্ন আর বন্ধু
এখন বাচ্চা রান্নাবাটি খেলে, ডাক্তার সেজে পুতুলকে ইনজেকশন দেয়, দোকানদার হয়ে আপনার কাছে আলু বিক্রি করে। CDC বলছে, ৪ বছরের মধ্যে বেশির ভাগ শিশু খেলার সময় অন্য কিছু সেজে খেলে, যেমন শিক্ষক বা কুকুর, আর তিন বা তার বেশি অংশসহ মানুষের ছবি আঁকে। HealthyChildren.org ৪-৬ বছরে গান, নাচ আর আঁকাআঁকির পাশাপাশি নিজের মতো কল্পনার খেলার জন্য ফাঁকা সময় রাখতে বলে, কারণ একটু বিরক্তিই অনেক সময় সৃজনশীলতা জাগায়।
যা কাজে লাগে:
- রান্নাবাটি সেট, ডাক্তারি সেট, পুরোনো ওড়না-টুপি দিয়ে সাজার বাক্স
- একটার সঙ্গে আরেকটা আটকানো যায় এমন পাজল
- সহজ বোর্ড গেম আর মেমরি কার্ড
- বড় ব্লক বা কনস্ট্রাকশন সেট
- রং, ক্লে, বাচ্চাদের নিরাপদ কাঁচি, আঠা
কেন এই বয়সে ভান করে খেলা এত দরকারি, সেটা নিয়ে আলাদা করে লিখেছি প্রিটেন্ড প্লে লেখায়। আর কত টুকরোর পাজল দেবেন, সেই হিসাব পাবেন পাজল খেলার উপকারিতা লেখায়।
৬-১২ বছর: নিয়ম, কৌশল আর নিজের শখ
স্কুলে যাওয়া বাচ্চা নিয়ম মেনে খেলতে পারে, জিততে চায়, হারলে মন খারাপ করে, আবার খেলতেও চায়। এই বয়সে লুডু, দাবা, ক্যারম, বাঘবন্দির মতো খেলা পরিবারকে এক টেবিলে বসায়। পাশাপাশি নিজের হাতে কিছু বানানোর খেলনা, বিজ্ঞানের কিট, বই আর খেলার সরঞ্জাম কাজে লাগে।
WHO-এর পরামর্শ হলো, ৫ থেকে ১৭ বছরের শিশুরা সপ্তাহজুড়ে গড়ে দিনে অন্তত ৬০ মিনিট মাঝারি থেকে জোরালো শারীরিক কাজ করবে। তাই এই বয়সের খেলনার তালিকায় বল, দড়িলাফ, ব্যাডমিন্টন সেট বা সাইকেলও রাখুন।
যা কাজে লাগে:
- দাবা, লুডু, ক্যারম, কার্ড গেম
- ১০০ টুকরো বা তার বেশি পাজল
- বিল্ডিং সেট, সহজ বিজ্ঞান ও ইঞ্জিনিয়ারিং কিট
- আঁকার খাতা, রং, হাতের কাজের উপকরণ
- দড়িলাফ, বল, ব্যাডমিন্টন
এক নজরে বয়স অনুযায়ী খেলনা
| বয়স | এই সময়ে শিশু যা শিখছে | যে ধরনের খেলনা কাজে লাগে |
|---|---|---|
| ০-১২ মাস | দেখা, ধরা, শব্দ চেনা, উপুড় হওয়া | কাপড়ের বই, ঝুনঝুনি, নরম বল, মেঝের মাদুর |
| ১-৩ বছর | হাঁটা, খোলা-ভরা, নকল করা, প্রথম শব্দ | ব্লক, শেপ সর্টার, নব পাজল, ঠেলার খেলনা, মোটা ক্রেয়ন |
| ৩-৬ বছর | কল্পনা, গল্প বানানো, বন্ধুর সঙ্গে খেলা | রান্নাবাটি, ডাক্তারি সেট, আটকানো পাজল, সহজ বোর্ড গেম, রং-ক্লে |
| ৬-১২ বছর | নিয়ম, কৌশল, দলগত কাজ, শখ | দাবা-লুডু-ক্যারম, বড় পাজল, বিজ্ঞান কিট, খেলার সরঞ্জাম |
দামি বা ইলেকট্রনিক খেলনা কি বেশি শেখায়?
অনেক খেলনার প্যাকেটে লেখা থাকে "ব্রেন ডেভেলপমেন্ট", "স্মার্ট লার্নিং"। AAP-এর রিপোর্ট বলছে, ডিজিটাল খেলনা প্রচলিত খেলনার মতোই বিকাশে সাহায্য করে, এমন প্রমাণ যথেষ্ট নেই। আর ইলেকট্রনিক খেলনা নিজে থেকে সেই আদান-প্রদান দিতে পারে না, যেটা বাচ্চার সুস্থ বিকাশের জন্য দরকার। AAP আরও পরিষ্কার করে বলেছে, ভালো খেলনা হতে চকচকে, দামি বা অ্যাপযুক্ত হতে হয় না।
তার মানে এই না যে ঘরে কোনো ইলেকট্রনিক খেলনা রাখা যাবে না। শুধু খেয়াল রাখুন, সেটা যেন মুখোমুখি খেলার জায়গা দখল না করে। মোবাইল-ট্যাব নিয়ে আলাদা প্রশ্ন থাকলে পড়ুন শিশুর স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণের গাইড।
নিরাপত্তা: ছোট্ট কিন্তু জরুরি কথা
খেলনার নিরাপত্তা নিয়ে আমাদের আলাদা পোস্ট আছে, এখানে শুধু মূল কথাগুলো:
- প্যাকেটের বয়সের লেবেল মেনে চলুন। HealthyChildren.org বলছে, এই লেবেল শুধু বুদ্ধির জন্য না, শ্বাসনালীতে আটকে যাওয়ার ঝুঁকি মাথায় রেখেও দেওয়া হয়।
- ৩ বছরের নিচের বাচ্চার খেলনায় খুলে আসে এমন ছোট টুকরো যেন না থাকে। খেলনা আর তার প্রতিটি অংশ যেন বাচ্চার মুখের চেয়ে বড় হয়।
- বড় ভাইবোনের ছোট টুকরোর খেলনা (মার্বেল, ছোট পাজল পিস, বোতাম ব্যাটারি) ছোটটার নাগালের বাইরে রাখুন।
কম খেলনা, বেশি খেলা
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব টলেডোর একটি ছোট গবেষণায় ৩৬ জন টডলারকে একবার ৪টি আর একবার ১৬টি খেলনার মধ্যে খেলতে দেওয়া হয়। কম খেলনা থাকলে তারা প্রতিটি খেলনা নিয়ে বেশি সময় খেলেছে এবং আরও নানা ভাবে খেলেছে।
ঘরে এটা কাজে লাগানো সহজ। সব খেলনা একসঙ্গে বের না করে একটা ঝুড়িতে ৬-৮টা রাখুন, বাকিগুলো আলমারিতে তুলে রাখুন। দুই সপ্তাহ পর বদলে দিন। পুরোনো খেলনাই তখন নতুনের মতো লাগে।
প্রশ্নোত্তর
বয়স অনুযায়ী খেলনা বাছব কীভাবে, যদি বাচ্চা বয়সের চেয়ে আগে বা পিছে থাকে?
প্যাকেটের বয়স শুধু একটা শুরু। বাচ্চা এখন কী পারে আর কী করার চেষ্টা করছে, সেটা দেখে খেলনা বাছুন। তবে নিরাপত্তার লেবেল, বিশেষ করে ৩ বছরের নিচে ছোট টুকরোর সতর্কতা, সব সময় মানুন। বিকাশ নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকলে আপনার শিশুর চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।
একটা বাচ্চার কয়টা খেলনা থাকা উচিত?
এর কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যা নেই। তবে একসঙ্গে অল্প কয়েকটা খেলনা হাতের কাছে রাখলে বাচ্চা প্রতিটি নিয়ে বেশি মন দিয়ে খেলে। বাকিগুলো তুলে রেখে মাঝে মাঝে বদলে দিন।
ইলেকট্রনিক বা গান-বাজানো খেলনা কি খারাপ?
খারাপ না, তবে একমাত্র খেলনা হওয়া উচিত না। AAP বলছে, ব্লক, পাজল, পুতুল আর আঁকার জিনিসের মতো প্রচলিত খেলনা আর বড়দের সঙ্গে খেলা বিকাশের জন্য বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ইলেকট্রনিক খেলনা থাকলে মাঝে মাঝে আপনিও পাশে বসে খেলুন।
ছেলে আর মেয়ের জন্য কি আলাদা খেলনা দরকার?
না। রান্নাবাটি ছেলেকেও কল্পনা আর ভাষা শেখায়, ব্লক আর গাড়ি মেয়েকেও সমস্যা সমাধান শেখায়। শিশুর আগ্রহ দেখেই খেলনা বাছুন, ছেলে বা মেয়ে বলে নয়।
আত্মীয়রা উপহার দিতে চাইলে কী বলব?
বাচ্চার বয়স আর এখনকার আগ্রহটা জানিয়ে দিন, যেমন "ও এখন খুব পাজল ভালোবাসে"। চাইলে শিক্ষামূলক উপহার বাছাইয়ের গাইড (ইংরেজিতে) লিংকটা পাঠিয়ে দিতে পারেন।
বৃষ্টির দিনে বা লোডশেডিংয়ে কী খেলাব?
পাজল, বোর্ড গেম, আঁকাআঁকি আর গল্প বানানোর খেলা এই সময়ে সবচেয়ে কাজে লাগে। একগাদা আইডিয়া পাবেন স্ক্রিন ছাড়া বৃষ্টির দিনের খেলা (ইংরেজিতে) লেখায়।
নীলঘুড়িতে বয়স অনুযায়ী খেলনা খুঁজে দেখতে পারেন শিক্ষামূলক খেলনা কালেকশনে, অথবা সরাসরি ১-৩ বছর বা ৩-৬ বছর বিভাগে। সারা বাংলাদেশে ডেলিভারি হয়, ক্যাশ অন ডেলিভারি আর বিকাশে পেমেন্ট করা যায়।
তথ্যসূত্র
- AAP Pediatrics: Selecting Appropriate Toys for Young Children in the Digital Era
- HealthyChildren.org: Toy Buying Tips for Babies & Young Children: AAP Report Explained
- PubMed: The Power of Play: A Pediatric Role in Enhancing Development in Young Children
- HealthyChildren.org: The Power of Play: How Fun and Games Help Children Thrive
- CDC: Milestones by 18 Months
- CDC: Milestones by 2 Years
- CDC: Milestones by 4 Years
- WHO: Guidelines on physical activity, sedentary behaviour and sleep for children under 5 years of age
- WHO: Physical activity fact sheet
- HealthyChildren.org: How to Buy Safe Toys
- University of Toledo: Fewer toys lead to richer play experiences, UT researchers find
- #খেলনা
- #শিশুর বিকাশ
- #০-১২ বছর
- #খেলার মাধ্যমে শেখা
নীলঘুড়ি টিম
সম্পাদনা দলঅভিভাবকদের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিক্স (AAP), ইউনিসেফ (UNICEF) ও সিডিসি (CDC)-র বৈজ্ঞানিক নির্দেশনা এবং স্থানীয় পারিবারিক বাস্তবতার সমন্বয়ে রচিত ও তথ্য-যাচাইকৃত।
লেখাটা ভালো লাগলে আমাদের কালেকশনও দেখে নিন।
কালেকশন দেখুন